Islamic Song

Islamic Video

Darsul Quran

Latest Updates

সবচেয়ে জ্ঞানী কে? মুসা আঃ এর যুগের একটি শিক্ষনীয় ঘটনা

10:30 PM
সবচেয়ে জ্ঞানী কে? এমন প্রশ্নে এর উত্তর আল্লাহর দিকে সোপর্দ করা উচিত । এমন একটি শিক্ষনীয় ঘটনা ঘটেছিল হযরত মুসা আঃ এর যুগে । আসুন জানি হাদিস থেকে


সা‘ঈদ ইবনু জুবায়র (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি ইবনু ‘আববাস (রাযি.)-কে বললাম, নাওফ আল-বাকালী দাবী করে যে, মূসা (আ) [যিনি খাযির (আ)-এর সাক্ষাৎ লাভ করেছিলেন তিনি] বানী ইসরাঈলের মূসা নন বরং তিনি অন্য এক মূসা। (একথা শুনে) তিনি বললেনঃ আল্লাহর দুশমন মিথ্যা বলেছে। উবাঈ ইবনু কা’ব (রাযি.) নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেনঃ মূসা (আ) একদা বানী ইসরাঈলদের মধ্যে বক্তৃতা দিতে দাঁড়ালেন। তখন তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়, সবচেয়ে জ্ঞানী কে? তিনি বললেন, ‘আমি সবচেয়ে জ্ঞানী।’ মহান আল্লাহ্ তাঁকে সতর্ক করে দিলেন। কেননা তিনি ‘ইল্মকে আল্লাহর দিকে সোপর্দ করেন নি। অতঃপর আল্লাহ্ তাঁর নিকট এ ওয়াহী প্রেরণ করলেনঃ দুই সমুদ্রের সঙ্গমস্থলে আমার বান্দাদের মধ্যে এক বান্দা রয়েছে, যে তোমার চেয়ে অধিক জ্ঞানী। তিনি বলেন, ‘হে আমার প্রতিপালক! কীভাবে তার সাক্ষাৎ পাব?’ তখন তাঁকে বলা হল, থলের মধ্যে একটি মাছ নিয়ে নাও। অতঃপর যেখানে সেটি হারিয়ে ফেলবে সেখানেই তাকে পাবে। অতঃপর তিনি ইউশা ‘ইবনু নূনকে সাথে নিয়ে যাত্রা করলেন। তাঁরা থলের মধ্যে একটি মাছ নিলেন। পথিমধ্যে তাঁরা একটি বড় পাথরের নিকট এসে মাথা রেখে শুয়ে পড়লেন। তারপর মাছটি থলে হতে বেরিয়ে গেল এবং সুড়ঙ্গের মত পথ করে সমুদ্রে চলে গেল। এ ব্যাপারটি মূসা (আ) ও তাঁর খাদিম-এর জন্য ছিল আশ্চর্যের বিষয়।

অতঃপর তাঁরা তাদের বাকী দিন ও রাতভর চলতে থাকলেন। পরে ভোরবেলা মূসা (আ) তাঁর খাদিমকে বললেন, ‘আমাদের নাশতা নিয়ে এস, আমরা আমাদের এ সফরে খুবই ক্লান্ত, আর মূসা (আ)-কে যে স্থানের নির্দেশ দেয়া হয়েছিল, সে স্থান অতিক্রম করার পূর্বে তিনি ক্লান্তি অনুভব করেন নি। তারপর তাঁর সাথী তাঁকে বলল, ‘আপনি কি লক্ষ্য করেছেন, আমরা যখন পাথরের পাশে বিশ্রাম নিচ্ছিলাম, তখন আমি মাছের কথা ভুলে গিয়েছিলাম?’ মূসা (আ) বললেন, ‘আমরা তো সেই স্থানটিরই খোঁজ করছিলাম।’ অতঃপর তাঁরা তাঁদের পদচিহ্ন ধরে ফিরে চললেন। তাঁরা সেই পাথরের নিকট পৌঁছে দেখতে গেলেন, এক ব্যক্তি (বর্ণনাকারী বলেন,) কাপড় মুড়ি দিয়ে আছেন। মূসা (আ) তাঁকে সালাম দিলেন। তখন খাযির বললেন, এ দেশে সালাম কোথা হতে আসল! তিনি বললেন, ‘আমি মূসা।’ খাযির প্রশ্ন করলেন, ‘বানী ইসরাঈলের মূসা (আ)?’ তিনি বললেন, ‘হ্যাঁ। তিনি আরো বললেন, ‘‘সত্য পথের যে জ্ঞান আপনাকে দান করা হয়েছে, তা থেকে শিক্ষা নেয়ার জন্য আমি কি আপনাকে অনুসরণ করতে পারি?’ খাযির বললেন, ‘‘তুমি কিছুতেই আমার সাথে ধৈর্য ধরে থাকতে পারবে না। হে মূসা (আ)! আল্লাহর ‘ইল্মের মধ্যে আমি এমন এক ‘ইল্ম নিয়ে আছি যা তিনি কেবল আমাকেই শিখিয়েছেন, যা তুমি জান না। আর তুমি এমন ‘ইল্মের অধিকারী, যা আল্লাহ তোমাকেই শিখিয়েছেন, তা আমি জানি না।’’ ‘মূসা (আ) বললেন, ‘‘আল্লাহ্ চাইলে আপনি আমাকে ধৈর্যশীল পাবেন এবং আমি আপনার আদেশ অমান্য করব না।

ভবিষ্যত গণনা সম্পর্কে ইসলামের বিধান

7:27 AM



শিরক ও কুফরী ভবিষ্যত গণনার সাথে জড়িত থাকার কারণে ইসলামে এটি বর্জনীয় এবং কঠোর দৃষ্টভঙ্গি গ্রহন করা হয়েছে । এ ব্যাপারে আল্লাহর রাসূলের মতামত কি ? এবং কেন এটি শিরক বা কুফরী ?
অসুন সংক্ষেপে আলোচনা করা যাক

গণকের নিকট গমন করা সম্পর্কে আল্লাহর রাসূল বলছেন,

হাফসা রাঃ থেকে সাফিয়া বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাঃ বলেছেন, যদি কেউ কোন গণক, গাইবী বিষয়ের সংবাদদাতা বা ভবিষ্যদ্বক্তার নিকট গমন করে তাকে কিছু জিজ্ঞাস করে তবে ৪০ দিবস তার সালাত কবুল হবে না । (মুসলিম খন্ড ৪, হাদীস নং ৫৫৪০)

অন্য এক হাদিস থেকে জানা যায় যে,

 মু আবিয়া রাঃ বলেন, হে আল্লাহর রাসূল সাঃ । নিশ্চয় আমাদের মধ্যে এমন কিছু লোক আছে যারা গণকের নিকটে যায় । রাসূল সাঃ বললেন তাদের কাছে যাবে না । (মুসলিম শরিফ ৫৫৩২)

[ এখানে একটি লক্ষ্য নিয় বিষয় হলো এই যে, যে কারো গণকের নিকট যাওয়া যাবে না আর কেউ যদি ভুলবশত যায় তবে তার একথা মনে করা ঠিক হবে না যে আগামী ৪০ দিন আর সালাত আদায় করা লাগবে না । বরং সালাত নিয়মিত আদায় করতে হবে । কারণ হলো সালাত কবুল হবে না বলতে তিনি এই সালাতের জন্য কোন সোওয়াব পাবেন না কিন্তু না আদায় করলে কাযা হবার জন্য গুনাহগার হবেন ]

Islamic short film

12:01 PM

জান্নাত লাভের কতিপয় উপায়

3:13 PM
জান্নাত লাভের কতিপয় উপায়ঃ 



ভূমিকা : ইহকালীন জীবনে মানুষের কৃতকর্মের মাধ্যমে অর্জিত নেকী পরকালীন জীবনে পরিত্রাণ লাভের অসীলা হবে। তাই দুনিয়াতে অধিক নেক আমলের দ্বারা বেশী বেশী ছওয়াব লাভের চেষ্টা করা মুমিনের কর্তব্য। কিন্তু পার্থিব জীবনের মায়াময়তায় জড়িয়ে আমলে ছালেহ থেকে দূরে থাকলে পরকালীন জীবনে কষ্টভোগ করতে হবে। এজন্য রাসূল (ছাঃ) বলেন, حُلْوَةُ الدُّنْيَا مُرَّةُ الآخِرَةِ وَمُرَّةُ الدُّنْيَا حُلْوَةُ الآخِرَةِ- ‘পৃথিবীর মিষ্টতা পরকালের তিক্ততা। আর পৃথিবীর তিক্ততা পরকালের মিষ্টতা’।[1] তাই পরকালীন জীবনে আল্লাহর শাস্তির ভয়ে গোনাহ পরিহার করতে হবে এবং অফুরন্ত নে‘মত সমৃদ্ধ অমূল্য জান্নাত লাভে নেক আমল বেশী বেশী করতে হবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, مَنْ خَافَ أَدْلَجَ وَمَنْ أَدْلَجَ بَلَغَ الْمَنْزِلَ أَلاَ إِنَّ سِلْعَةَ اللهِ غَالِيَةٌ أَلاَ إِنَّ سِلْعَةَ اللهِ الْجَنَّةُ ‘যে ব্যক্তি ভয় করেছে, সে পালিয়েছে। আর যে পালিয়েছে সে গন্তব্যস্থলে পৌঁছেছে। জেনে রাখ আল্লাহর সম্পদ অত্যন্ত মূল্যবান, জেনে রাখ আল্লাহর সম্পদ অত্যন্ত মূল্যবান’।[2] জাহান্নাম থেকে মুক্তি প্রত্যাশী ও জান্নাত লাভে আকাঙ্ক্ষী মুমিন সারারাত ঘুমিয়ে কাটাতে পারে না। এজন্য রাসূল (ছাঃ) বলেন, مَا رَأَيْتُ مِثْلَ النَّارِ نَامَ هَارِبُهَا وَلَا مِثْلَ الْجَنَّةِ نَامَ طَالِبُهَا ‘আমি জাহান্নাম থেকে পলায়নকারী ব্যক্তিকে কখনো ঘুমাতে দেখিনি, আর জান্নাত অন্বেষণকারীকেও কখনো ঘুমাতে দেখিনি’।[3] তাই জান্নাত লাভের জন্য নেকীর কাজ বেশী বেশী করার যথাসাধ্য চেষ্টা করতে হবে।

আর জান্নাত লাভের জন্য বহু নেক আমল রয়েছে। তন্মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কতিপয় নেক আমল এখানে উদ্ধৃত হ’ল, যাতে পাঠক সেসব পালন করার মাধ্যমে জাহান্নাম থেকে মুক্তি ও জান্নাত লাভে সচেষ্ট হ’তে পারেন।


১. তাওহীদ বা আল্লাহর একত্ব :

আল্লাহর একত্বের স্বীকৃতি প্রদান ও তদনুযায়ী আমল করা মানুষের জাহান্নাম থেকে মুক্তি লাভের প্রথম শর্ত। মু‘আয (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ছাঃ)-এর পিছনে ‘উফায়র’ নামক একটি গাধায় আরোহী ছিলাম। তিনি আমাকে বললেন,

يَا مُعَاذُ، هَلْ تَدْرِى حَقَّ اللهِ عَلَى عِبَادِهِ وَمَا حَقُّ الْعِبَادِ عَلَى اللهِ. قُلْتُ اللهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ. قَالَ فَإِنَّ حَقَّ اللهِ عَلَى الْعِبَادِ أَنْ يَعْبُدُوهُ وَلاَ يُشْرِكُوْا بِهِ شَيْئًا، وَحَقَّ الْعِبَادِ عَلَى اللهِ أَنْ لاَ يُعَذِّبَ مَنْ لاَ يُشْرِكُ بِهِ شَيْئًا. فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللهِ، أَفَلاَ أُبَشِّرُ بِهِ النَّاسَ قَالَ لاَ تُبَشِّرْهُمْ فَيَتَّكِلُوْا-

‘হে মু‘আয! তুমি কি জান বান্দার উপরে আল্লাহর হক কি এবং আল্লাহর নিকটে বান্দার হক কি? আমি বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (ছাঃ) অধিক জ্ঞাত। তিনি বললেন, বান্দার উপরে আল্লাহর হক হ’ল সে আল্লাহর ইবাদত করবে এবং তাঁর সাথে অন্য কাউকে শরীক করবে না। আর আল্লাহর নিকটে বান্দার হক হচ্ছে আল্লাহ তাকে শাস্তি দিবেন না, যে তাঁর সাথে কোন কিছুকে শরীক করবে না। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (ছাঃ)! আমি কি মানুষকে এর সুসংবাদ দিব না? তিনি বললেন, না, তাদেরকে সুসংবাদ দিও না, তাহ’লে তারা এর উপরেই নির্ভর করবে’।[4] তিনি আরো বলেন, مَنْ قَالَ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ وَأَنَّ عِيسَى عَبْدُ اللهِ وَابْنُ أَمَتِهِ وَكَلِمَتُهُ أَلْقَاهَا إِلَى مَرْيَمَ وَرُوحٌ مِنْهُ وَأَنَّ الْجَنَّةَ حَقٌّ وَأَنَّ النَّارَ حَقٌّ أَدْخَلَهُ اللهُ مِنْ أَىِّ أَبْوَابِ الْجَنَّةِ الثَّمَانِيَةِ شَاءَ. ‘যে ব্যক্তি বলবে, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই, তিনি এক তাঁর কোন শরীক নেই এবং মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা ও রাসূল; ঈসা তাঁর বান্দা ও তাঁর বান্দীর পুত্র, তাঁর কালিমা (বাক্য) যা তিনি মারিয়ামের প্রতি নিক্ষেপ করেছেন ও তাঁর পক্ষ থেকে নির্দেশ (রূহ), জান্নাত সত্য, জাহান্নাম সত্য, আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। জান্নাতের আটটি দরজার যে কোনটি দিয়ে ইচ্ছা’।[5] অন্য বর্ণনায় এসেছে, أَدْخَلَهُ اللهُ الْجَنَّةَ عَلَى مَا كَانَ مِنْ عَمَلٍ ‘আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন, তার আমল যাই থাকুক’।[6]



সাইফুল্লাহ মানসুরের গাওয়া সব গানের ওয়েলকাম টিউন শুধুমাত্র গ্রামিনফোন গ্রাহক দের জন্য

9:09 AM


কারা সঠিক পধ প্রাপ্ত ? অধিকাংশ লোক নাকি কম সংখ্যক লোক ?

5:00 AM


আজ আমরা একটি গুরুত্ব পূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো, এটি আমাদের সমাজে প্রচলিত এবং বিতর্ক সৃষ্টি কারি একটি বিষয় তা হলো কারা সঠিক পথ প্রাপ্ত অধিকাংশরা নাকি কমসংখ্যকরা এবং কোন কাজের ব্যাপারে অধিকাংশ কেই কি সব সময় প্রধান্য দিতে হবে ? বা অধিকাংশের মতামতই কি সব সময় সঠিক ? আর
আমাদের অনেকেরই ধারণা থাকে যে, এই কাজটি অধিকাংশ লোক করছে তাই হতে পারে এটি সঠিক, আবার ধারণা করা হয় দ্বীনের এই বিষয় টি অধিকাংশ মানুষ ফলো করে বা অনুসরণ করে এজন্যই এটি সঠিক অনেকই বলে থাকে এত গুলো লোক কি একসাথে ভুল পথে থাকতে পারে?
সহজ কথা হলো দ্বীনের কাজ গুলো কে লোকদের উপস্থিতি দেখে পরিমাপ করা যাবে না বরং আল কোরাআন এবং আল হাদিস দ্বারা পরিমাপ করতে হবে এমটা হতে পারে যে বেশি সংখ্যক লোক একটি সঠিক কাজ কে পালন করছে তাই বলে কিন্তু সব এই সুত্র দিয়ে পরিমাপ করা যাবে না
যেমন আল্লাহ তাআলা বলেন,

وَإِن تُطِعْ أَكْثَرَ مَن فِي الأَرْضِ يُضِلُّوكَ عَن سَبِيلِ اللّهِ إِن يَتَّبِعُونَ إِلاَّ الظَّنَّ وَإِنْ هُمْ إِلاَّ يَخْرُصُونَ

হে নবী আপনি যদি অধিকাংশ লোকের কথা মানেন , তাহলে তারা আপনাকে আল্লাহর পথ থেকে গোমরাহ করে দিবে কেননা তারা প্রত্যেকেই নিজ নিজ ধারণার অনুকরণ কে এবং অনুমান করে কথা বলে নিশ্চয়ই আপনার প্রভু সবচাইতে বেশি জানেন, কারা আল্লাহর পথ হতে গোমরাহ হয়েছে এবং তিনিই অধিক জানেন কারা হিদায়াতপ্রাপ্ত বা সঠিক পথে আছে (সুরাঃ আল-আনআম আয়াতঃ১১৬-১১৭)

আবার আল্লাহ তাআলা অপর আয়াতে বলেন,

وَمَا أَكْثَرُ النَّاسِ وَلَوْ حَرَصْتَ بِمُؤْمِنِينَ
হে নবী আপনি যতই আকাঙ্খা করেন না কেন অধিকাংশ লোক ঈমান অনবে না (সুরাঃ ইউসুফ আয়াতঃ১০৩)

একই সুরা ১০৬ নং আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেন,

وَمَا يُؤْمِنُ أَكْثَرُهُمْ بِاللّهِ إِلاَّ وَهُم مُّشْرِكُونَ
অধিকাংশ লোক আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেও তারা মুশরিক ( সুরাঃ ইউসুফ আয়াতঃ ১০৬)

এই তিনটি আয়াতের প্রথমটি এটি প্রমাণ করে যে, অনেক সময় অধিকাংশ লোকের অনুসরণ করা ঠিক নয়

আপনি হয়ত ভাবছেন অমুক পীরের দরবারে ১০ লক্ষ লোক এক সাথে উপস্থিত হয় আর এত লোক কি অজ্ঞ ? যে তারা ভুল পধে আছে ?
অথবা অমুক দলে মানুষ দলে দলে যোগ দিচ্ছে অমুক দলে থেকে মানুষ দলে দলে দ্বীন প্রচার করছে এই দল টাই ভালো আর অমুক দলে মাত্র কয়েক জন তাদের টা তো মানুষের কাছে তেমন গ্রহনযোগ্যতা পায়নি তাই ওটা ঠিক নয়
আমরা লোক সমগম দেখে মিথ্যার প্রতি একমত হতে পারি না অথবা দলে দলে মানুষের প্রবেশ দেখে আমরা সঠিক বলে ধরে নেই

ওমর রাঃ যে তিনটি সিদ্ধান্ত মিলে গিয়েছিল আল্লাহর ওহীর সাথে

12:02 PM
আনাস রাঃ থেকে বর্ণিত , তিনি বলেন ওমর রাঃ বলেছেন, তিনটি বিষয়ে আমার সিদ্ধান্তের সাথে মহান আল্লাহর  ওহীর সিদ্ধান্তের অনুরুপ হয়েছে । অথবা তিনি বলেছেন (রাবীর সন্দেহ) আমার রব আমার তিনটি সিদ্ধান্তের (সাথে মতৈক্য পোষণ করে ) ওহী নাযীল করেছেন । 




তিনটি বিষয় হলোঃ

১। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল সাঃ আপনি যদি মাকামে ইব্রাহীমে নামায পড়তেন তবে কতইনা ভালো হতো । 
অতঃপর মহান আল্লাহ তাঅলা এ প্রসঙ্গে আয়াত অবতীর্ণ করেন,

وَإِذْ جَعَلْنَا الْبَيْتَ مَثَابَةً لِّلنَّاسِ وَأَمْناً وَاتَّخِذُواْ مِن مَّقَامِ إِبْرَاهِيمَ مُصَلًّى وَعَهِدْنَا إِلَى إِبْرَاهِيمَ وَإِسْمَاعِيلَ أَن طَهِّرَا بَيْتِيَ لِلطَّائِفِينَ وَالْعَاكِفِينَ وَالرُّكَّعِ السُّجُودِ

যখন আমি কা'বা গৃহকে মানুষের জন্যে সম্মিলন স্থল ও শান্তির আলয় করলাম, আর তোমরা ইব্রাহীমের দাঁড়ানোর জায়গাকে নামাযের জায়গা বানাও এবং আমি ইব্রাহীম ও ইসমাঈলকে আদেশ করলাম, তোমরা আমার গৃহকে তওয়াফকারী, অবস্থানকারী ও রুকু-সেজদাক ারীদের জন্য পবিত্র রাখ। [সুরা বাকারা: ১২৫]

শবে বরাত এবং আলেমদের অভিমত

2:13 AM
শবে বরাত, আরবি মাস শা'বানের ১৪ তারিখ দিবাগত রাত কে সাধারণত বলা হয় লায়লাতুল বারাআত বা শবে বরাত । এটি বাংলাদেশ সহ এশিয়া অনেক দেশেরই একটি প্রচলিত উৎসব । মুসলমানরা অনেক উৎসব মুখর পরিবেশের সাথে এই রাত টি কে উৎজ্জাপন করে থাকে । এই রাতে আমাদের সমাজে নিয়ম নীতী কিংবা আমল করা হয় , আসুন তা এক নজরে দেখে নেয়া যাক ।
১। সারা রাত দাড়িয়ে নফল নামাজ আদায় করা হয় । [ এখানে উল্লেখ্য যে এই নামাজের প্রতি রাকাতে ৩ বার ১০ বার কিংবা তার বেশি সুরা ইখলাস তিলাওয়াত করা হয় । ]
২। এই দিবসে হালুয়া রুটি খাওয়া হয় ।  [ কারণ মনে করা হয় আমাদের রাসূল সাঃ এর দাত মুবারক শহীদ হয়েছিল ওহুদের যুদ্ধে যার কারণে তিনি নরম খাদ্য হিসাবে হালুয়া-রুটি খেয়েছিলেন ]

এছাড়াও এই দিন কে আরো বিশেষ কিছুর জন্য পালন করা হয় যেমনঃ
১. এই রাত কে ভাগ্য রজনীর রাত মনে করা হয় ।
২. এ রাতে আল্লাহ সবাইকে সাধারণ ক্ষমা করেন মনে করা হয়।
৩. এ রাতে বয়স ও রিজিক নির্ধারণ করা হয় ।
৪. এ রাতে ভাগ্য পরিবর্তন করা  হয় ।
৫. এ রাতে  কবর জিয়ারত করা হয়।
৬. এ রাতে নির্দিষ্ট করে মৃতদের নামে বিশেষভাবে দান-খয়রাত করা হয়।
৭. এ রাত কে কেন্দ্র করে আগরবাতি, মোমবাতি জ্বালানো এবং আলোকসজ্জা করা হয়।
৮. এ রাতে গোসল করা এবং নতুন কাপড় পরে সারারাত নামাজ পড়া কে বেশি সওয়াবের মনে করা হয়।
৯. এ রাতের সকালে দিনে রোজা রাখা হয় ।
১০. এ রাতে মৃত ব্যক্তিরা তাদের আত্মিয় স্বজনদের সাথে দেখা করতে আসেন বলে মনে করা হয় ।
এছাড়াও আরো থাকতে পারে ।


 
Copyright © Islamer Alo - ইসলামের আলো Gooyaabi Templates